আমাদের মূল এজেন্ডা এদেশের মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা দেয়া : ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সংবাদপত্রের সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিকদের সাদাকে সাদা এবং কালোকে কালো বলার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, আমাদের মূল এজেন্ডা এদেশের মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা দেয়া। আমরা সেদিকে এগিয়ে যাচ্ছি। আপনারা আমাদের সহায়তা করুন।

কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রে বিশ্বাসী, আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র চর্চা করে।

বুধবার (১৬ নভেম্বর) ঢাকা ক্লাব স্যামসন এইচ চৌধুরী হলে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় আয়োজিত বিশিষ্ট গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ৭৫ পরে দেশে রাজনৈতিক দেয়াল তৈরি করা হয়েছিল। ইনডেমনিটি জারি করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধ করা হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ভুলুন্ঠিত করা হয়েছিল। ৭ মার্চের ভাষণ নিষিদ্ধ করা হয়। আমরা জাতীয় দিবসে যেতে পারিনি। বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে বাংলা ভাই সৃষ্টি করা হয়েছিল। সারাদেশে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের হত্যা করা হয়।

বিএনপিকে উদ্দেশে করে তিনি বলেন, যাদের ঘরে গণতন্ত্র নেই তারা দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে কীভাবে?

তিনি আরো বলেন, বিএনপি কেন তাদের গঠনতন্ত্রের ৭ ধারা তুলে দিয়েছিল। ৭ ধারায় কোনো দুনীতিবাজ, সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি দলের নেতৃত্বে থাকতে পারবে না। বিএনপি সেটি তুলে দিয়ে দুর্নীতিবাজ সাজাপ্রাপ্তদের দলে রেখেছে।

তিনি আরো বলেন, এই বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে কীভাবে মানুষ হত্যা করেছিল তা সবার মনে আছে। তারা ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে চেয়েছিল। এখন তারা মানবতার কথা বলে।

কাদের বলেন, আমাদের ভুল আছে, তার পরেও আমরা দেশের জন্য কাজ করছি। রাজনীতিতে বিরোধীতা থাকবে কিন্তু আমরা হত্যার রাজনীতি করি না। বিএনপির সাথে পাল্টা কর্মসূচি দিচ্ছি না। দলের সম্মেলনকে সামনে রেখে কাজ করছি।

এ সময় আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মোজাফফর হোসেন পল্টু, প্রেসিডিয়াম সদস্য কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, শাজাহান খান, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, এস এম কামাল, উপ প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ,
দৈনিক অবজারভার পত্রিকার সম্পাদক ইকবাল সোবহান চৌধুরী, প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান, কালবেলার সম্পাদক আবেদ খান, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম, মানব জমিন সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, নিউ এইজ সম্পাদক নুরুল কবির, ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, আমাদের নতুন সময় সম্পাদক নাইমুল ইসলাম খান, আজকের পত্রিকার সম্পাদক গোলাম রহমান, যুগান্তর সম্পাদক সাইফুল আলম, বাংলাদেশ পোস্টের সম্পাদক শরীফ শাহাবুদ্দিন, একাত্তর টেলিভিশন সিইও মোজাম্মেল বাবু, চ্যানেল আই পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ শফিকুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ওমর ফারুক, সাবেক সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, বিএফইউজের সাধারণ সম্পাদক দীপ আজাদ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি সোহেল হায়দার চৌধুরী, প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হক, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের মহাপরিচালক সুভাষ চন্দ বাদল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র : বাসস


মন্তব্য করুন

Logo

© 2022 Dinkal24 All Rights Reserved.